BARANAGAR

Home » Natural Calamities / Disaster in Baranagar » Natural Calamities / Disaster in Baranagar

Natural Calamities / Disaster in Baranagar

Author – Jayanta Baksi

September 2011
M T W T F S S
    Oct »
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930  

All Old Post

Enter your email address to follow this blog and receive notifications of new posts by email.

Join 8 other followers

All Caregories

Detail of Publications

September 2011
M T W T F S S
    Oct »
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930  

Choose Arbitrary Text or HTML

Top Clicks

  • None

Date of Publication

September 2011
M T W T F S S
    Oct »
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930  

Enter your email address to follow this blog and receive notifications of new posts by email.

Join 8 other followers

Image: Author Jayanta Baksi

Archives

Blog Stats

  • 40,880 hits
September 2011
M T W T F S S
    Oct »
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930  

Author – Jayanta Baksi

Archives


Natural Calamity / Disaster in Baranagar

Jayanta Baksi

বরানগরে প্রাকৃতিক দুর্দৈব

জয়ন্ত বক্সী

প্রাকৃতিক রোষে পৃথিবীর বহু প্রাচীন ও উন্নত সভ্যতা আজ ধ্বংশপ্রাপ্ত। সৃষ্টির মূলে – ধ্বংশ, এক স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়া আবহমান কাল থেকেই অব্যাহত। বৃহৎ প্রাসাদোপম অট্টালিকা থেকে যন্ত্রদানব; এই ধরনের বিবিধ নির্মাণ হচ্ছে সভ্যতার গতি তরান্বিত করতে এবং সম্পুর্ণত প্রকৃতির নিয়মকে অগ্রাহ্য করে। কিন্তু প্রাকৃতিক রোষ যখন আছড়ে পড়ছে আধুনিক সভ্যতার উপর, তার ধ্বংশলীলার গতিপ্রকৃতি এবং ক্ষমতার আমূল পরিবর্তন ঘটছে। প্রাকৃতিক রোষের তীব্রতার মাত্রা (Intensity) এক থাকলেও বিপর্যয় বা ধ্বংশলীলা মারাত্মক আকার ধারন করছে; ক্ষয়ক্ষতির পরিমান ও মাত্রা বিশেষতঃ মৃত্যুর সংখ্যা ক্রমাগত পূর্বতন সমস্ত রেকর্ডকে ম্লান করে নতুন রেকর্ড সৃষ্টিতে মগ্ন। তথাকথিত আধুনিক সভ্যতার বিষময় ফল ক্রমাগত অনুধাবন করা যাচ্ছে। আলোচ্য অংশে ভূমিকম্প এবং ঘূর্ণিঝড়ের প্রতি দৃষ্টি নিবদ্ধ করা হয়েছে।

আবহমন্ডলের নিম্নচাপকেই সাধারনতঃ সাইক্লোন অর্থে ব্যবহার করা হয়। অর্থাৎ, টাইফুন থেকে শুরু করে সমস্ত প্রকার নিম্নচাপই, সাইক্লোন। যে সব ঝড়ে আবহমন্ডলের বায়ু ঘূর্ণায়মান হয় সেই সব ঝড়কেই “ঘূর্ণিঝড়” বলা হয়। ঘূর্ণিঝড় (Typhoons) বা গ্রীষ্মমন্ডলীয় প্রবল ঘূর্ণিঝড় বা ট্রপিক্যাল সাইক্লোন (Tropical Cyclones) বিভিন্ন নামে পরিচিত। ঘূর্ণি ঝড় পৃথিবীর কোন প্রান্তে উৎপন্ন বা সৃষ্টি হয়েছে তার উপর নির্ভর করে তাদের নামকরন করার প্রথা বিদ্যমান হলেও সৃষ্টি স্হলের উপর নির্ভর করে “ট্রপিক্যাল” শব্দ ব্যবহার করা হয় না বরং ঝড়ের প্রকৃতি বা ধ্বংসাত্মক ক্ষমতার উপর নির্ভর করে নামকরন প্রযোজ্য হয়। উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল এবং জাপানে যে ঘূর্ণিঝড় টাইফুন (Typhoon) নামে পরিচিত, সেই ধরনের ঝড়কে উত্তর ও মধ্য আমেরিকায় হারিকেন (Hurricane) এবং পৃথিবীর অন্যত্র সাইক্লোন (Cyclone) নামে অভিহিত করা হয়। ট্রপিক্যাল সাইক্লোনের মধ্যে টাইফুনের শক্তি ও পুনরাবৃত্তিই সর্বাপেক্ষা বেশী।

সাইক্লোন বিশেষত ট্রপিক্যাল সাইক্লোনের ক্ষেত্রে বায়ু পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধে (Northern Hemisphere) পৃথিবীর পৃষ্ঠ ভূমির কাছাকাছি সব সময় দক্ষিণাবর্তে (Clockwise) এবং দক্ষিণ গোলার্ধে (Southern Hemisphere) উত্তরাবর্তে (Anti Clockwise) ঘূর্ণায়মান হয়।  জাপানে যে ঘূর্ণিঝড়ে বায়ুর গতিবেগ ৩৪ নট (Knots) অতিক্রম করে তাকেই টাইফুন নামে আখ্যায়িত করা হলেও আন্তর্জাতিক মানদন্ড অনুসারে অন্তত ৬৪ নট অতিক্রম করা ঘূর্ণিঝড়কে টাইফুন বলা হয়। বায়ুর গতিবেগকে “নট” অর্থে ব্যবহার করা হয়। ১ ঘন্টায় ১ নটিক্যাল মাইল দূরত্ব অতিক্রম করাকে 1 Knot (Kt) বলা হয়। 1 Kt = 1.852 km/h = 0.5144 m/s। বায়ুর গতিবেগের উপর নির্ভর করে ঘূর্ণিঝড়ের বিভাগ ও নামকরন নিচের সারনীতে* প্রদত্ত: 

অঞ্চল

বায়ুর গতিবেগ বা নট (Wind Speed = Knots)

১৭ পর্যন্ত

১৭ – ২৮

২৮ – ৩৪

৩৪ – ৪৮

৪৮ – ৬৪

৬৪ – ৯০

৯০ – ১১৬

১১৬ – ১২০

নিম্নচাপ অঞ্চল

 

ট্রপিক্যাল নিম্নচাপ

ট্রপিক্যাল ঝড়

প্রবল ট্রপিক্যাল ঝড়

টাইফুন

ট্রপিক্যাল বিশৃঙ্খলা

ট্রপিক্যাল নিম্নচাপ

ট্রপিক্যাল ঝড়

হারিকেন

নিম্নচাপ অঞ্চল

নিম্নচাপ

গভীর নিম্নচাপ

সাইক্লোন ঝড়

প্রবল সাইক্লোন ঝড়

অতি প্রবল সাইক্লোন ঝড়

অতি প্রবল সাইক্লোন ঝড়

ট্রপিক্যাল বিশৃঙ্খলা

ট্রপিক্যাল নিম্নচাপ

মাঝারি ট্রপিক্যাল ঝড়

প্রবল ট্রপিক্যাল ঝড়

ট্রপিক্যাল সাইক্লোন

প্রবল ট্রপিক্যাল সাইক্লোন

অতি প্রবল ট্রপিক্যাল সাইক্লোন

ট্রপিক্যাল বিশৃঙ্খলা

ট্রপিক্যাল নিম্নচাপ

ট্রপিক্যাল সাইক্লোন

ট্রপিক্যাল সাইক্লোন (হারিকেন), প্রবল ট্রপিক্যাল সাইক্লোন

*Reference: Climate into the 21st century, WMO, 2003

উপরের অঞ্চল সূমহ: ১) উত্তর-পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগর ও সাউথ চায়না সামদ্রিক অঞ্চল; ২) অতলান্টিক মহাসাগর এবং উত্তর পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগর, ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জ ও মেক্সিকো উপসাগর অঞ্চল; ৩) উত্তর ভারত মহাসাগর, বঙ্গোপসাগর এবং আরব সাগর; ৪) দক্ষিণ-পশ্চিম ভারত মহাসাগর; ৫) দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগর এবং দক্ষিণ-পূর্ব ভারত মহাসাগর।

পৃথিবীর ইতিহাসে অতি প্রবল ৩০টি মারণাত্মক ভূমিকম্প এবং ঘূর্ণিঝড় বা ট্রপিক্যাল সাইক্লোনের মধ্যে ২টি কলকাতা তথা বরানগর অঞ্চলে মারাত্মক ক্ষয়ক্ষতির সৃষ্টি করে। প্রথমটি ঘটে ১১/১২ই অক্টোবর, ১৭৩৭ খ্রীষ্টাব্দে। গঙ্গা নদীর পার্শ্ববর্তী অঞ্চল সূমহে এই সাংঘাতিক ভূমিকম্প ও ঝড়ের অভিঘাতে ২০,০০০ জাহাজ ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।

এই বিষয়ে একটি বিশেষ সংবাদ শ্রীরঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত “কলিকাতা কল্পলতা” প্রতি দৃষ্টি সংযুক্ত করা হলঃ 

এই বিষয় ওল্ডহ্যামের (Oldham 1883) জেন্টলসম্যান পত্রিকার (The Gentleman’s Magazine, Historical Chronicle, June 1738. Volume 8 Page 321,London) জুন ১৭৩৮-১৭৩৯ সংখ্যার উল্লেখ প্রনিধান যোগ্যঃ

“October 11 night 1737 CALCUTTA. In the night between the 11 th and 12 th October 1737, there happened a furious hurricane at the mouth of the Ganges, which reached 60 leagues up the river. There was at the same time a violent earthquake, which threw down a great many houses along the river side; in Golgotta (Calcutta) alone, a port belonging to the English, two hundred houses were thrown down, and the high and magnificent steeple of the EnglishChurchsunk into the ground without breaking. It is computed that 20,000 ships, barques, sloops, boats, canoes, & c., have been cast away. Of nine English ships then in the Ganges, eight were lost, and most of the crews drowned. Barques of 60 tons were blown two leagues up the river; three were lost with their men and cargoes; 300,000 souls are said to have perished! The water rose 40 feet higher than usual in the Ganges”. [Further Reading: Oldham, T. (1883). Catalogue of Indian Earthquakes, Memoirs Geological Survey of India, Vol.19, Pt.3, pp.170].  

 

৫ই অক্টোবর, ১৮৬৪ খ্রীষ্টাব্দ

গঙ্গা নদীতে ঘূর্ণিঝড়ে বহু বাস্পীয় জাহাজের প্রভূত ক্ষয়ক্ষতির দৃশ্য

(Source: e-bay)

ওল্ডহ্যাম কলকাতায় ৩ লক্ষ মানুষের মৃত্যু উল্লেখ করছেন। কিন্তু, ১৬৯০ খ্রীষ্টাব্দে জোব্ চার্নক কলকাতা শহরের পত্তন ঘটানোর ১০ বছর পর, ১৭০০ খ্রীষ্টাব্দে কলকাতায় প্রায় ১০০০০ মানুষের বসবাসের আন্দাজ পাওয়া যায়। ১৭৫৭ খ্রীষ্টাব্দে সর্ব্বপ্রথম সরকারী জনগণনা অনুসারে কলকাতার জনসংখ্যা ছিল ৪৫০০০। হ্যামিলটনের (Hamilton, Alexander, A New Account of the East Indies, 2 , Edinburgh, 1727) মতানুসারে ১৭০৫ থেকে ১৭২০ খ্রীষ্টাব্দে কলকাতার জনসংখ্যা ছিল ১০ থেকে ১২ হাজার। আবার, আহমেদের (Ahmed, S. U.,Dacca: A study in Urban History and Development, Lond. Studies on S. Asia, 4, pp. 266.Curzon Press, 1986) মতানুসারে ১৭৩৭ খ্রীষ্টাব্দে কলকাতার ২৫০ কিমি পূর্বে অবস্হিত তৎকালীন বাংলার সর্বাপেক্ষা জনবহুল শহর ঢাকার জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৯ লক্ষ।

প্রাথমিক পর্য্যয়ে ৩ লক্ষ মানুষের মৃত্যু আন্দাজ করা হলেও ১৭৩৭ খ্রীষ্টাব্দে তৎকালীন কলকাতার জনসংখ্যা প্রায় ২০ হাজার ছিল বলে গবেষণায় ইঙ্গিত পাওয়ায়, ১৭৩৭ খ্রীষ্টাব্দের ভূমিকম্প এবং ঘূর্ণিঝড়ে মৃতের সংশোধিত সংখ্যা হয়, ৩ হাজার (সূত্র: http://cires.colorado.edu/~bilham/gif_images/1737Calcutta.pdf)। [Further Reading: Roger Bilham, The 1737 Calcutta Earthquake and Cyclone Evaluated, Bull. Seism. Soc. Amer. 84(5), 1650-1657, 1994)। সুতরাং সমীক্ষানুসারে, অবিভক্ত বাংলার সমস্ত জনসংখ্যার অনুপাত এবং সমুদ্র-নদী উপকূলবর্তী স্হানে মানুষের মৃত্যুকে সংযুক্ত করলে এই সংখ্যা ৩ লক্ষ হতে পারে।

৫ই অক্টোবর ১৮৬৪ খ্রীষ্টাব্দে সাইক্লোনের অভিঘাতে গঙ্গাবক্ষে জাহাজ ও ঘাটের ক্ষয়ক্ষতির দৃশ্য

সূ্ত্র:দ্য ইলাস্ট্রেটেড লন্ডন নিউজ  (১৯শে নভেম্বর, ১৮৬৪ Click on these pictures for larger viewখ্রীষ্টাব্দ)

দ্বিতীয় এই ধরনের সাংঘাতিক ভূমিকম্প ও ঝড়ের অভিঘাতের পরবর্তী ঘটনাটি ঘটে ৫ই অক্টোবর ১৮৬৪ খ্রীষ্টাব্দে। এই ঝড়ে প্রায় ৬০,০০০ মানুষের জীবন হানি ঘটে (সূত্র: althistory.wikia.com/wiki/World_1860-1880_Chaos)। এমনকি, গঙ্গাবক্ষে বহু বাস্পীয় জাহাজের প্রভূত ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়, ধূলিসাৎ হয় ২ টি গীর্জার চূড়া, বাসস্হান ধ্বংশপ্রাপ্ত হয় ইউরোপীয়ানদের ৯২টি এবং দেশীয় ব্যক্তিবর্গের ৮৯,৪৪০টি এবং ৪৩ জন মানুষের প্রানহানি ঘটে। (সূত্র: Downing, J. de G., The cyclone of 1864, inBengal Past and Present, J. Calcutta Historical Society, 1, 112-122, 1907)। এই বিষয়ে ১৯শে নভেম্বর, ১৮৬৪ খ্রীষ্টাব্দে দ্য ইলাস্ট্রেটেড লন্ডন নিউজ পত্রিকার অংশ বিশেষ উল্লেখ করা হলঃ

“In our last week’s Paper we gave an Illustration of the terrible horror caused by the cyclone or revolving hurricane of Oct, among the crowded shipping in the River Hooghly, at the portof Calcutta. We have thought it worth while to publish in this number a couple of views of that extraordinary scene, which are engraved from the photographs taken on the spot by Mr.Wagentreiber. The particulars of the disaster were so fully related in our former account that it is needless to repeat the description. It may be added that, from a report to the Meteorological Society of Calcutta, it appears that the pressure of the wind at one moment during the storm amounted to as much as thirty-two pounds on the square inch. Some notion of its comparative force may be obtained, if this estimate be correct, from the records of the most violent gales experienced of the late years in our own country, as the maximum pressure then attained was forty-three pounds to the square foot.” – The Illustrated London News, Saturday, 19th November 1864.

৫ই অক্টোবর ১৮৬৪ খ্রীষ্টাব্দে আশ্বিনের এই ঝড়ে খিদিরপুর ডক থেকে নোঙর ছিঁড়ে গঙ্গায় ভাসমান বহু জাহাজ বঙ্গোপসাগরের বিপরীতে অর্থাৎ গঙ্গার উৎসস্হলাভিমুখে ধাবিত হয়ে ক্ষতিগ্রস্হ অথবা ধ্বংশপ্রাপ্ত হয়। ২০টি জাহাজ গঙ্গায় ডুবে যায় এবং ১৪৫টি বিভিন্ন ডাঙ্গায় বা ঘাটে উঠে পড়ে। এই রকম জাহাজগুলোর মধ্যে ৩টি জাহাজের একটি বরানগরে লোচন ঘোষের ঘাটে উঠে পড়ে, দ্বিতীয়টি (Earl of Clare) বরানগর জুট মিলের তীরে স্হান নেয় এবং তৃতীয়টি বরানগরের কুটিঘাটের কাছে জয়মিত্র কালীবাড়ীর নহবৎ দুটিকে ক্ষতিগ্রস্হ করে নিজেও চূর্ণবিচূর্ণ হয়। বরানগর জুট মিলে সংযুক্তিকৃত (Assembled) জুট মিলের নিজস্ব জাহাজ “বরানগর”, বরানগরের বিপরীতে অবস্হিত হাওড়া জেলার শালকিয়ার কাছে গঙ্গায় ডুবে যায় (সূত্র: সেন, অজিত; আঞ্চলিক ইতিহাস – বরানগর, ৩য় খন্ড, প্রকাশ – জন্মাষ্টমী, ২৮শে শ্রাবণ ১৩৯৭, 13th August, 1990)।

যাইহোক, কলকাতার পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া গঙ্গা নদী পশ্চিমবঙ্গের একটা বিশেষ জেলার নামে দূর্বোধ্য কারনে আখ্যায়িত হলেও কলকাতা তথা বরানগর অঞ্চল এই ঝড়ের প্রকোপে ক্ষতিগ্রস্হ হওয়ার কিছু প্রামান্য আলোকচিত্র সংযুক্ত করা হল।

তৃতীয় এই ধরনের সাংঘাতিক ভূমিকম্প ও ঝড়ের অভিঘাতের [আসাম ভূমিকম্প, কেন্দ্রস্হল – 26.000 N, 91.000 E. Mw 8.1 (12)] ঘটনাটি ঘটে ১২ই জুন ১৮৯৭ খ্রীষ্টাব্দে। মাটির প্রায় ২০ মাইল বা ৩২ কি.মি. তলে এর সৃষ্টি; ব্যপ্তি ছিল বার্মা থেকে দিল্লী পর্যন্ত প্রায় ২৫০০০০ স্কোয়ার মাইল। ১৫০০০০ স্কোয়ার মাইলের মধ্যের কংক্রিটের স্হাপত্য ধূলিস্যাৎ এবং প্রায় ১৫০০ মানুষের জীবন হানি হয় প্রধানত আসাম, মেঘালয় এবং সন্নিহিত অবিভক্ত বাংলা দেশ বিশেষত কলকাতা থেকে উত্তরবঙ্গের ডুয়ার্স পর্য্যন্ত। সুতরাং, ক্ষয়ক্ষতির পরিমান বিশেষতঃ মৃত্যুর সংখ্যা ক্রমাগত নিত্ত নতুন রেকর্ড সৃষ্টিতে মগ্ন। প্রামান্য তথ্যাবলীর অভাবজনিত কারনে ১৯০০ খ্রীষ্টাব্দের পূর্বে জীবন হানির সঠিক সংখ্যা নিরুপনের উদ্দেশ্যে Encyclopaedia of Hurricanes, Typhoons, and Cyclones (1999) by David Longshore প্রভৃতি পুস্তকের সাহায্য নেওয়া হয়েছে। 

Statutory Warning: Jayanta Baksi, Author will not be responsible for any special, indirect, incidental or consequential damages that may arise from the use of or the inability to use, the aforementioned data/s and / or the materials contained herein irrespective of whether the materials / articles contained here are provided by Jayanta Baksi.

Author / Compilor disclaim any and all responsibility or liability for the accuracy, content, completeness, legality, reliability, or operability or availability of information or User Content mentioned here. Author / Compilor is not responsible for the conduct, whether online or offline, printed, verbal or non-verbal or of any user of this compilation.

Author / Compilor expressly disclaims any and all responsibility and liability for the conduct of any other Member (if any) and expressly disclaims that the Content prepared as ‘Compilation from Memory’ of this assemblage input by any other Members (if any) is correct or accurate. YOU AGREE THAT YOUR USE OF THIS CONTENT IS ENTIRELY AT YOUR OWN RISK.

  • Commercial use of any of the contents of this compilation in any manner is prohibited without prior written permission from an authorised person.

Further Detail: Contact Jayanta Baksi (jayanta.baksi@rediffmail.com)

Janmastami, 22nd August 2011, Kolkata

Email: jayanta.baksi@rediffmail.com

 

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

Categories

Archives

%d bloggers like this: